Monday, June 29, 2015

দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী

নামঃ দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী

জন্মঃ ২/২/১৯৪০ পিরোজপুর জেলায় !
.
পিতাঃ মাওলানা ইউসুফ সাঈদী !
.
১ম কারাবরণঃ ১৯৭৫ সালে !
.
হজ্বপালনঃ ১৯৭৬ সাল থেকে ২০১০পর্যন্ত প্রতি বছর !
.
আল্লামা উপাধীঃ ১৯৯১সালে ইসলামিক সার্কেল অব নর্থ আমেরিকা কতৃক আল্লামা উপাধি!
.
গ্রন্হ রচনাঃ ২০টি ।
.
প্রিয় রাজনৈতিক দলঃ জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশ !
.
প্রিয় ছাত্র সংগঠনঃ ছাত্রশিবির এবং ছাত্রী সংস্থা !
.
প্রিয় রাজনীতিকঃ আল্লামা মওদুদী রহঃ !
.
প্রিয় বক্তাঃ শায়খ আঃ হামিদ কিশক ,আহমদ দীদাত এবং কামালুদ্দীন জাফরী !
.
প্রিয় লেখকঃ আল্লামা মওদুদী , হাসানুল বান্না ,ডঃ মুরিস বুকাইলি,মাঃ আঃ রহিম এবং কৃষাণ চন্দর !
.
প্রিয় কবিঃ শেখ সাদী ,ওমর খৈয়াম ,ডঃ ইকবাল ,কাজী নজরুল এবং ফররুখ আহমথ !
.
প্রিয় বন্ধুঃ অধ্য্ক্ষ মাওলানা সাইয়্যেদ কামালুদ্দীন জাফরী !
.
ভয়ঃ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনকে !
.
ঘৃনাঃ দাম্ভিকতা ,কৃতঘ্নতা ,সময় অসচেতনতা এবং গিবত !
.
স্বপ্নঃ বাংলাদেশে ইসলামী শাসন বাস্তবায়ন !
.
কামনাঃ শহীদি মৃত্যু !
.
অবসরেঃ অধ্যয়ন ,আত্নীয় স্বজনদেরকে সঙ্গদান !
.
স্বরনীয় মুহূর্তঃ প্রথম কাবা দর্শন !
.
জীবনের আদর্শ পুরুষঃ হযরত মুহাম্মদ সাঃ !
.
২য় গ্রেফতারঃ ২৮ জুন ২০১০!
Read More »

Wednesday, June 3, 2015

শাওন

বাণিজ্য বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে ৪.৮৩ পায় আরাফাত শাওন। কিন্তু বাবা-মা তার এ রেজাল্টে খুশি নয়। জিপিএ ৫  না পাওয়ায় বাবা-মায়ের বকুনি খেতে হয় তাকে। বাবা-মার ওপর অভিমন করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় সে। তার আগে সে নিজের নোটবুকে আগে লিখে যায় ব্যথা বেদনার কথাগুলো। পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হল তার কথা :

শাওনের সুইসাইড নোট

আমি জানি না আজ আমি ঠিক কি ভুল কাজ করছি তবে এখন এটা ছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না। আসলে ছেলে হয়ে এ পরিবারে জন্ম গ্রহণ করাটাই আমার দূরভাগ্য। তা না হলে ছোট থেকে এ পর্যন্ত মেয়ের মতো সব সময় পরিবারের কাজ করতেই হয়েছে। আর কখনো পরিবার থেকে আমাকে খেলাধুলার সময় বা খেলতে দেওয়া হয়নি। আর আমিও মেয়ের মতো সব সময় মায়ের আঁচলের নিচেই ছিলাম।

আর আমি আদো জানি না যে আমি কি ? এই পরিবারের বা আমার মা-বাবার সন্তান, তা না হলে সব সময় এ রকম শাসন আর কড়া শাসনের উপর আমাকে রাখা হয়েছে। কোন বাবা-মা তার সন্তানকে পড়া লিখার খরচে খোটা দেয় না। কিন্তু আমার মা বাবা সব সময় আমাকে বলে তোর জন্য মাসে মাসে হাজার হাজার টাকা খরচ করছি। এভাবেই প্রতি নয়ত বকাঝকা করা হয়। সব সময় বাবার থেকে শুধু খারাপ ভাষার গালি আর গালি শুনতে হয়। যা আমার একটু বালো লাগতো না। কিন্তু আমি এতো দিন সহ্য করে ছিলাম। কারণ কোন কিছু করার কথা ভাবলে মনে হতো এ দুনিয়ায় তো বাবা-মায়ের আদর ভালোবাসা পেলাম না। পেলাম না শুখ শান্তি। আসলে মানুষ বলে যে ঠিক টাকা পয়সা ও ধন সম্পদ মানুষকে সুখী করতে পারে না। আর যদি আমি নিজের হাতে আত্মহত্যা করি তা হলে মরর পরও শান্তি পাবো না। আর মরার পর আমাকে জাহান্নামের আগুনে জ্বলতে হতো। তাই এখন আমার আর এসব কিছু সহ্য হচ্ছে না। …

আমাদের ছাত্রদের কি দোষ বলুন আমরা তো আমাদের মতো চেষ্টা করে যাই। তবে আমাদের দেশের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড গুলো কারণে আমাদের দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার এমন হাল। এর আগের বছর সরকার তার নিজের স্বার্থের জন্য শিক্ষার হার বাড়িয়ে দিয়েছে। আর এবার হরতাল-অবরোধ দেয়ার ফলে বর্তমান সরকার বিরোধী দলিয় সরকারকে গালি দেওয়ার জন্য পাশের হার কমিয়ে দিয়েছে, যাতে দেশে ফেল এর হার বেড়েছে। বলুন আমরা আর কি ভাবে ভালো রেজাল্ট করতে পারি!!!???

আমাদের মা-বাবা চায় আমরা ভালো রেজাল্ট করি। কিন্তু দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার দিকে ও তো দেখতে হবে। আমার বাবা ও আমার আত্ত্বীয়-স্বজন আমার এ রেজাল্ট (৪.৮৩) এর উপর খুশিনা। সবাই আমাকে বকাবকি করছে। কিন্তু আমার স্কুলের মধ্যে ২য় স্থান পাওয়ার পরও কিন্তু তারা অন্যদের রেজাল্ট এর কথা দেখে না, ভাবে না। তাদের কথা আমাকে A+ পেতেই হবে। A+ কি গাছে ধরে যে আমি পেড়ে আনবো। আরো অনেক কথা যা মনের ভিতর জমা করে রেখেছি। কিন্তু বললে শেষ হবে না। থাক। যদিও আমি মারা যাই … তা হলে সবাই আমাকে ক্ষমা করে দিবেন। আর যদিও বেঁচে যাই….!!!

আমার কিছু ঋণ রয়েছে
DJ Flower Tuch= সূর্য ৯০০
আমার বন্ধু শুভ= ১০০ (টাকা)
ইসমাইল= ২০০/পূবালী ইলেকট্রনিক শহীদ মার্কেট

[লেখকের নিজ হাতে লেখা বানান অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে]।
Read More »

Wednesday, April 29, 2015

মন্সুর হাল্লাজ

মন্সুর হাল্লাজ ছিলেন একজন ফরাসি আধ্যাত্মিক লেখক এবং তাসাওুফ এর শিখক ছিলেন । সে ৮৫৮ খ্রিস্টাব্দ বা ২৪৪ হিজরি ২৬ মার্চ ফার্স প্রদেশের আল বাইজা তে জন্মগ্রহণ করেন যা বর্তমানে ইরান এর অভ্যন্তরে অবস্থিত । তার পুরো নাম "আবু আল মুগিথ হুসাইন মন্সুর আল হাল্লাজ" । যদিও সে ফরাসি বংশোদ্ভূত , তবে তিনি তার সব লেখনি আরবি ভাষায় লিখেছিলেন ।
আল হাল্লাজের দাদা ছিলেন সম্ভবত একজন জরথ্রস্ত্রিও (zoroastrian) ধর্মমত অনুসারী ছিলেন। আল হাল্লাজের বাবা খুবই সাধারন জীবন যাপন করতেন যা মন্সুর হাল্লাজকে ছোটবেলায় বেপকভাবে আগ্রহি করে তোলেন। হাল্লাজ খুব অল্প বয়সেই কুরআন মুখস্ত করেছিলেন । ১৮ বছর বয়স থেকেই তিনি অনেক দেশ ভ্রমন করেছিলেন । প্রথমে বাগদাদের তসটার , মক্কা , খুজেস্তান , খোরাসান , ত্রান্সেগিয়ানা , সিস্তান , ভারত এবং তুরকিস্তান । অবশেষে তিনি বসরা গমন করেন এবং ওমর ইবন উসমান মক্কি (র) এর কাছে ১৮ মাস সংস্পর্শে থাকেন । ইয়াকুব এ আক্তা তার মেয়ের সাথে মন্সুর হাল্লাজের বিয়ে দেয়ার কারনে ওমর মক্কি অসন্তুষ্ট হন। তাই মন্সুর হাল্লাজ বসরা ত্যাগ করে বাগদাদ চলে যান এবং জুনায়েদ আল বাগদাদির কাছে বায়াত গ্রহন করেন । তিনি মন্সুর হাল্লাজের আত্মিক উচ্চ মর্যাদার কারনে তাকে চুপচাপ এবং নিরিবিলি থাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন । সে কিছুদিন বাগদাদির কাছে থেকে পরে আবার আরবের হেজাজে চলে যান এবং নিরিবিলি সেখানে সে একবছর সাধনা করেন । সেখানেও সে না থেকে আবার ফিরে যান বাগদাদ শহরে। সেখানে বেশ কিছু সুফি সাধকদের নিয়ে জুনায়েদ আল বাগদাদির কাছে একাধিক প্রশ্ন উত্থাপন করেছিলেন কিন্তু জুনায়েদ তার কোন কথারই উত্তর দেন নি ।
জুনায়েদ বাগদাদি বলল ,"খুব শীঘ্রই সে সময় আসছে যেদিন তুমি মন্সুর হবে একটি রক্তাক্ত কাঠের টুকরো"
প্রতিউত্তরে হাল্লাজ বললেন , "যেদিন আমি হব রক্তাক্ত কাঠের টুকরো সেদিন তুমি পরবে আচারনিষ্ঠের পোশাক"
পূর্বে মন্সুর হাল্লাজ জুনায়েদ আল বাগদাদি (র) এবং ওমর আল মাক্কি (র) এর অনুসারী হলেও পরবর্তীতে তারা উভয়ই তাকে প্রত্যাখ্যান করেন। সুফিদের মধ্যে হাল্লাজ ছিলেন বেতিক্রম। তখন বিখ্যাত সুফি সাধকরা সাধনার নিগুর রহস্য জনপ্রকাশে প্রকাশ করতেন না অপরদিকে মন্সুর হাল্লাজ তার লেখনীতে এবং শিখায় তিনি সব কিছুই প্রকাশ করে দিতেন । সত্য বলার জন্য এবং নিগুর সত্যকে সমাজের মানুষ গ্রহন করতে না পারায় সারা বিশ্ব তার শত্রুতে পরিনত হয় তখন । এবং তৎকালীন শরিয়ত পন্থি আলেমরা তার ওইসব কথার মর্ম বুঝতে পারেনি বা ভুল বুঝেছিল । এজিদের দোসরেরা তার বিরুদ্ধে নানান ষড়যন্ত্র এবং তার বিরুদ্ধে ফতয়া জারি করেছিল

হযরত মন্সুর হাল্লাজ (র) এতটাই ধর্মপরায়ণ ছিলেন যে তিনি খুব অল্প বয়সেই কুরআনের হাফেয হয় । "অয়াসিত বাদ" নামক একটি মক্তব থেকে তিনি কুরআন শিক্ষা করেন । ছোটবেলা থেকে ধর্ম পরায়ন থাকার কারনে সে আত্মিক উন্নতি সাধন করেছিলেন । তাকে বলা হতো "হাল্লাজ আল আসরার" অর্থাৎ অন্তরের জ্ঞানের অধিকারি । সে বাল্য বয়সেই মানুষের হৃদয় পরতে পারত কারন তার অন্তর চক্ষু খোলা ছিল। মানুষের আত্মিক সুরত এবং অন্তর চক্ষু দিয়ে তিনি নানান রহস্য অবলকন করতে পারতেন ।

মন্সুর হাল্লাজের স্ত্রির নাম ছিল উম্মাল হুসাইন। তাদের তিনটি পুত্র সন্তান ছিল। ধর্ম প্রচার এবং ফানাফিল্লা অবস্থায় থাকার কারনে হাল্লাজ সংসার ত্যাগী ছিলেন । যদিও হাল্লাজ ছিলেন সুন্নি কিন্তু শিয়া মতাদর্শের সাথেও তিনি খুব একটা দ্বিমত পোষণ করেনি। যেহেতু আল্লাহ এক রাসুল এক কুরআন এক বিভেদ এবং ভুল আছে সব মতেই । হাল্লাজ তার গৌরবময় জীবনে তিন বার হজ করেছিলেন । তৎকালীন সময় ছিল উমাইয়া ও আব্বাসিওদের খেলাফতকাল । আর একি সাথে শিয়া সুন্নির দুই মতবাদ খুব প্রকট আকার ধারন করেছিল। যেহেতু মন্সুর হাল্লাজ ছিলেন সত্যের কাণ্ডারি সেহেতু প্রত্যেক মতবাদ এবং তৎকালীন খেলাফতকারিরা মন্সুর হাল্লাজের বিরুদ্ধে নানান ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল।

আল্লাহর মহান বন্ধু হযরত মন্সুর হাল্লাজ (র) দেশ দেশান্তরে ধর্ম প্রচার করছিলেন খোরাসান (পার্সিয়া) এবং ত্রান্সজিয়ানা (central asiaতে) । সেখানে তিনি অসংখ্য মানুষকে হেদায়েত করেছিলেন এবং তার অসংখ্য ভক্ত সৃষ্টি করেছিলেন । তার অসংখ্য ভক্ত নিয়ে তিনি আহওয়াজ (ইরানের একটি শহর) থেকে মক্কার উদ্দেশে গেলেন । কিন্তু কি আর করা , যে যেখানেই আল্লাহর কথা বলেছে সত্য বলেছে সে যুগের মানুষদের কাছে নির্যাতিত হয়েছে। ইয়াকুব-এ-নাহরাজুরি নামক একজন ধর্মীও নেতা তাকে জাদুকর আখ্যায়িত করলেন । নানান অপপ্রচারে কষ্ট পেয়ে হাল্লাজ ফিরে গেলেন সেই আহওয়াজ এ বসরা হয়ে । একদিন হাল্লাজ বললেন , "এখন আমি যাব সেসব দেশে যেখানে বিভিন্ন দেবদেবীদের উপাসনা করা হয়, সেখানে আল্লাহর পথে মানুষকে দাওয়াত দিতে"। এভাবেই মন্সুর হাল্লাজ (র) ঘোষণা দিয়ে রউনা হলেন। তিনি ভারত ,মধ্য এশিয়া, চিন দেশে গেলেন এবং মানুষকে এক আল্লাহর দাওয়াত দিলেন। ভ্রমন কালে বিভিন্ন দেশে মুক্তিকামী মানুষেরা তার কাছে পত্র লিখত এবং এক এক জাতি একেক ভাবে তাকে সম্বোধন করেছিল যেমন _ ভারতীয়রা "আবুল মুগিথ",চিনারা "আবুল মইন", খোরাশিয়ানরা "আবুল মোহর", ফরসিরা "আবু আব্দ আল্লাহ", খুজেস্তানিরা "রহস্যময় হাল্লাজ", বাগদাদে "মস্তালেম"এবং বসরায় "মখাব্বার"।

হাল্লাজের যেমন ছিল অগনিত ভক্ত তেরকম তার কট্টর বিরোধীও ছিল। মন্সুর হাল্লাজ যখন ফানাফিল্লাহ অবস্থায় ছিলেন এবং তার অন্তরের মুখ দিয়ে বললেন "আনাল হক" অর্থাৎ "আমিই সত্য" ঠিক তখনই তার মুরশেদ জুনায়েদ আল বাগদাদির সেই ভবিষ্যৎ বানী বাস্তবে রুপ নিতে লাগলো এবং আগুন চারিদিকে ছরিয়ে গেল। অবস্থাটা এরকম ছিল যে তার অসংখ্য অনুসারীরাও তাকে ভুল বুঝতে লাগলো এবং পক্ষ বিপক্ষের লোকজন এক হয়ে হাল্লাজের বিচার চেয়েছিল ।

অন্যদিকে জুনায়েদ আল বগদাদি , তিনিও হাল্লাজের পাশে ছিলেন না । ইসলামের মুখশধারিরা এই সুযোগে হাল্লাজের প্রচলিত বক্তব্য এবং আরও বিকৃত করে কথা খলিফা মতাসেম এর নিকট উপস্থাপন করলো।এবং বিলম্ব না করে হাল্লাজের বিরুদ্ধে উজির দার করাল যার নাম আলি ইবন ঈসা। তারপর মন্সুর হাল্লাজকে জেলখানায় বন্দি করা হল। বন্দি থাকা অবস্থাতেও তার অসংখ্য মুরিদান এবং মুক্তিকামী মানুষেরা তার কাছে সাক্ষাত করতে যেত এবং বিভিন্ন বিষয়ে এবং সমস্যার পরামর্শ নিতো। সেটাও সেই কুচক্রীরা সহ্য করতে পারেনি । নিষিদ্ধ করে দেওয়া হল যেকোন সাক্ষাত। পাচ মাসের জন্য কেউ ই সাক্ষাত করতে পারেনি, কেবল ইবনে আতা এবং ইবনে খফিফ একবার দেখা করতে পেরেছিল। একদিন ইবনে আতা মন্সুর হাল্লাজের নিকট একটি বার্তা পাঠান যেন তিনি তার কথার জন্য ক্ষমা চান এবং কথাটি ফিরিয়ে নেন , তাতে তিনি মুক্ত হয়ে যেতে পারেন। কিন্তু মন্সুর হাল্লাজ তো আল্লাহর শক্তিতে শক্তিমান, তার প্রতিটা কথা , প্রতিটা নিঃশ্বাস যে আল্লাহরই প্রতিচ্ছবি। তিনি উত্তর দিলেন "তাকে জিজ্ঞেস কর, কে ক্ষমা চাওয়ার কথা বলেছেন?"
ইবনে আতা এ কথা শুনে কান্নায় ভেঙ্গে পরলেন এবং বললেন "আমরা মন্সুরের এক কণা পরিমান ও হতে পারিনি"

এভাবেই মন্সুর হাল্লাজ জেলখানাতে ছিলেন। এক রাত্রিতে জেইলার হাল্লাজের কক্ষে ঢুকে দেখে হাল্লাজ সেখানে নেই। পুরো জেলখানায় তালাশ করেও তার খোজ মেলেনি। পরেরদিন রাতে হাল্লাজ এবং গারদ উভয়কেই পাওয়া গেলনা। অবশেষে তৃতীয় দিনে উভয়কেই জেলখানায় পাওয়া গেল।
কারারক্ষীরা তাকে জিজ্ঞেস chargeকরলো "এই তিনটি রাতে যে ঘটনা গুল ঘটেছে তার মর্ম কি ?"
হাল্লাজ ঃ প্রথম রাতে আমি সেই মহান সত্তার কাছে মিলিত হয়েছিলাম তাই তোমরা আমাকে এখানে দেখনি, দ্বিতীয় রাতে মহান সত্তা আমার সাথে মিলিত হয়েছিল তাই কারাঘর সহ আমাকে তোমরা দেখনি আর তৃতীয় রাতে আমি জাহেরিতে ফেরত আসলাম যেন আইন রক্ষিত হয়। এসো, তোমরা তোমাদের দায়িত্ব পালন কর।"

হাল্লাজ এর একরাতে নজরে আসলো পুরো জেলখানায় ৩০০বন্দি আতক আছে। তাদের উদ্দেশে হাল্লাজ বলল , "বন্দিরা !! তোমাদেরকে কি আমি মুক্তি করে দিব?"

বন্দিরা ঃ নিজেকে কেন মুক্ত করছনা ?
হাল্লাজ ঃ আমি আল্লাহর গোলামি করছি। আমি সত্য উদ্ধারের প্রহরি। আমি যদি চাই একটি ইশারায় তোমাদের বাধন খুলে দিতে পারি।
অতঃপর তিনি শাহাদাৎ আঙ্গুলি দিয়ে ইশারা দিলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে বন্দিদের হাতের বাধন দু টুকরো হয়ে গেল।
বন্দিরা ঃ আমরা এখন কথায় যাবো? গেট তো তালাবদ্ধ।
হাল্লাজের ইশারার সাথে সাথে দেয়ালে ফাটল সৃষ্টি হল এবং বন্দিরা বের হয়ে গেল । যাওয়ার আগে তারা বলল "হুজুর !! আপনি কি আমাদের সাথে যাবেন না ?"
হাল্লাজ ঃ না । আমি আল্লাহর রহস্যে আবদ্ধ।
পরদিন সকালে।
কারারক্ষীরা ঃ বন্দিরা কোথায় গিয়েছে ?
হাল্লাজ ঃ আমি তাদের মুক্ত করে দিয়েছি।
কারারক্ষীরা ঃ তুমি কেন যাওনি?
হাল্লাজ ঃ খোদা আমাকে তিরস্কার দিবে তাই যাইনি।
এই খবর তৎক্ষণাৎ খলিফার কানে পৌছালো। এবং খলিফা তার বিরুদ্ধে বেবস্থা নেওয়ার হুকুম দিলেন।
তারা হাল্লাজকে তিনশো বার লাঠি পেটা করেছিল। এবং প্রতিটা আঘাতে হাল্লাজের হৃদয় থেকে প্রতিধ্বনিত হচ্ছিল "বাবা মন্সুর ! ভয় পেওনা"
পরে তাকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়। তেরটি ভারি লোহার শিকল বহন করে মন্সুর হাল্লাজ খুব অহংকারের সাথে মঞ্চে হেঁটে যায় ।"বাব আল তাক" নামক মৃত্যুদণ্ডের মঞ্চে আসলো এবং কাঠের তক্তায় চুমু খেলেন ও তার অপর পা রাখলেন।
তারা উপহাস করে বলল "কি মন্সুর , কেমন লাগছে ?"
হাল্লাজ ঃ যিনি সত্য(হক) তিনি নিজে যে এই মঞ্চে উঠবেন......
তাকে প্রশ্ন করা হল "হে মন্সুর ! সুফিসম কি ?"
হাল্লাজ ঃ যার কিছুটা(ছোট) অংশ তোমরা দেখছ।
তারা প্রশ্ন করলো "তাহলে বৃহৎ অংশটা কি ?"
হাল্লাজ ঃ যেটা পর্যন্ত তোমরা পৌছাতে পারবেনা।

অতপর তার পবিত্র হাত দুটো কেটে ফেলা হয়।হাল্লাজ হাঁসতে লাগলো এবং বলল , "একজন বন্দির হাত কেটে ফেলা খুবই সহজ বেপার । আনাল হক"

খেপে গিয়ে জালেমরা তার কদম মোবারক ক্ষতবিক্ষত করলো।
হাল্লাজ আবার হাসল এবং বলল , "এই পা জোড়া দিয়ে আমি জগত ভ্রমন করেছি। আমার আরেক জোড়া পা আছে যা দিয়ে আমি এখনও দোজাহান ভ্রমন করছি। যদি পার তাহলে সে পায়ে আঘাত কর দেখি"

তৎক্ষণাৎ তিনি তার কাটা হাত দিয়ে তার সারা মুখমণ্ডলে রক্ত মাখিয়ে নিলেন।
জালেমরা জিজ্ঞেস করলো "এ কাজটি তুমি কেন করলে ?"
হাল্লাজ ঃ প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। আমি বুঝতে পারছি আমার মুখ ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। তোমরা ভাবতে পারো যে আমার মুখ ভয়ে ফ্যাকাসে হয়েছে। আমার মুখে রক্ত মেখে দিলাম যেন আমার লাল চেহারা তোমাদের চোখে ভেশে ওঠে।বীরের প্রসাধনী হচ্ছে তার নিজের রক্ত।

অতঃপর তার চোখ দুটি উপড়ে ফেলা হয়। কেউ কেউ তার জন্য কেদেছিলেন। অনেকেই পাথর মেরেছিলেন। তারা উদগ্রীব ছিলেন জিহ্বা কাটার জন্য।

হাল্লাজ বলল, ঃ "একটু ধৈর্য ধর, একটু সময় দাও কথা বলার ! হে খোদা (অঝর নয়নে)!! আমাকে অত্যাচারের কারনে তাদেরকে বর্জন করোনা আমার দোহাই এমনকি তোমার রহমত থেকে বঞ্ছিত করোনা। সমস্ত প্রশংশা তোমার, আমার পা বিক্ষত করেছে কারন আমি তোমার পথে পদস্থাপন করেছিলাম। এবং যদিও তারা আমার শিরচ্ছেদ করে ক্ষমা করে দিও ওগো দয়াময়।"

তারপর তারা হাল্লাজের কান এবং নাক কেটে ফেলে। জিহ্বা কেটে ফেলার আগে হাল্লাজের শেষ কথা ছিল _
"স্রস্টাকে ভালবাসা নিজের থেকে আলাদা নয়"
"যারা বিশ্বাস করেনা তাহাতে , তারা দ্রুত খোজ করে। যারা বিশ্বাস করে তারা ধৈর্যের সাথে খোজ করে। জেনে রেখো এটাই সত্য।"

সঙ্গে সঙ্গে তার জিহ্বা কেটে ফেলা হয় এবং সন্ধার নামাজের সময় তার শিরচ্ছেদ করা হয় (ইন্নালিল্লাহে ...)
তার গর্দান কাটার সময়ও হাল্লাজ হাসি মুখে ছিলেন।
অতঃপর আল্লাহর খেলা শুরু হল। চারিদিক থেকে আওয়াজ ভেসে আসতে লাগলো, রক্তের কণাগুলো "আনাল হক , আনাল হক" জিকির করতে লাগলো যা ছিল অনেক বেশি প্রকট। উজির খলিফা সবাই ঘাবড়ে গেলেন এবং তারা সঙ্গে সঙ্গে তার দেহ এবং রক্ত পুড়িয়ে দিলেন কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি। অবশেষে শেষ উপায় বলতে জালেমরা ছাইগুলো তিগ্রিস নামক বাগদাদের সেই নদিতে নিক্ষেপ করলেন রক্ষা পাওয়ার জন্য। কিন্তু আল্লাহর গজব কি মানুষের পক্ষে সামলানো সহজ? এতেই বোঝা যায় তারা কত বড় নাফরমান কাফের ছিলেন। বাগদাদ শহর প্লাবিত হতে লাগলো যেন কেয়ামত হয়ে যাচ্ছিল । এবং প্রতিটি পানির ফোটা যেন জিকির করতে ছিল "আনাল হক আনাল হক আনাল হক"

হযরত মন্সুর হাল্লাজ (র) বলেছিলেন "আনাল হক" অর্থাৎ "আমি সত্য"। সত্যি তিনি যে মহান তার প্রমান দিয়ে গেছেন অসংখ্যবার যা দুনিয়ার বুকে বিরল। হাল্লাজ জিবিত থাক্তেই একদিন তার এক ভক্তকে বলেছিলেন এই দিনের আগাম ভবিষ্যৎ । এবং এর থেকে পরিত্রাণ এর উপায় ও বলে গিয়াছিলেন। অতঃপর তার সেই মুরিদ খলিফা কে জানালেন এবং হাল্লাজের কথা মত হাল্লাজের পরিধানের বস্ত্র নদিতে রাখলেন এবং সেই বাগদাদ জাতি আল্লাহর গজব থেকে পরিত্রাণ পেলেন। ২৮ মার্চ ৯১৩ খ্রিস্টাব্দে জগত শ্রেষ্ঠ আল্লাহর বন্ধু হযরত মন্সুর আল হাল্লাজ (রঃ) শহীদ হন।
Read More »

Tuesday, March 31, 2015

১০০ টি সাধারণ জ্ঞান ও তথ্য

1. মৃত্যুর পরও মানুষের মস্তিষ্ক আরও প্রায় সাত মিনিট সক্রিয় থাকে এবং এই সময় জীবনের চুরান্ত মুহূর্ত গুলি সে স্বপ্নের আকারে দেখাতে থাকে ।

2. যে শিশুরা ছোটবেলায় খুব মিথ্যা কথা বলে, বড় হয়ে সে সফল পেশাদার হয়।

3. 2013 সালে নিউজিল্যান্ড সরকার আটটি জেলখানা বন্ধ করে দিয়েছে অপরাধীর অভাবে ।

 4. মানুষ মুখোমুখি কথা বলার সময় সবচেয়ে বেশি সত্য বলে। সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলে ফোনে কথা বলার সময় ।

5. মৃত্যুকালে মানুষের প্রথমে দৃষ্টিশক্তি চলে যায়, এরপর যায় স্পর্শ অনুভূতি এবং সবশেষে যায় শ্রবণ অনুভূতি ।

6. চাঁদ প্রতি বছর পৃথিবী থেকে প্রায় দুই ইঞ্চি করে দুরে সরে যাচ্ছে ।

7. ঠিক তোমার মতো দেখতে আরও ছয় জন এই পৃথিবীতে আছে । তাদের মধ্যে একজনের সঙ্গে সারাজীবনে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা 11 শতাংশ ।

8. মেয়েরা নীল রং এর শোওয়ার ঘর পছন্দ করে এবং পুরুষরা সাদা ।

9. একটা সিগারেট খাওয়ার অর্থ এগারো মিনিট আয়ু কমে যাওয়া ।

10. যারা বিড়াল পোষে তাদের আত্মহত্যা করার প্রবনতা থাকে । কুকুর পুষলে মানুষ উদার মনের হয়।

11. মেয়েরা যতো মেধাবি হবে ততো প্রজননে অক্ষম হবে।

12. কোনো ভিড়ের মধ্যে আমরা একসঙ্গে শুধুমাত্র দুইটি মুখমন্ডলের উপর দৃষ্টি পাত করতে পারি।

13. আজথেকে একশত বছর পরে ফেসবুকে প্রায় 91 কোটি 60 লক্ষ মৃত ব্যক্তির প্রোফাইল থাকবে ।

14. 96 শতাংশ কিশোর কিশোরী সকালে ঘুম থেকে উঠে ব্রাশ করার আগে তার মোবাইল ফোনটা চেক করে ।

15. প্যারিসে একদিন এক মহিলা আত্মহত্যা করার জন্য আইফেল টাওয়ারের মাথা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন । কিন্তু দুর্ভাগ্য বশত এক গাড়ির উপরে পরেন এবং বেঁচে যান। এবং ঐ গাড়ির চালক তথা মালিককে বিবাহ করেন।

16. 1970 সালে বিশ্বের জনসংখ্যা ছিলো বর্তমান জনসংখ্যার অর্ধেক ।

17. গর্ভবতী অবস্থায় কোনো মা দুশ্চিন্তাগ্রস্থ থাকলে তার সন্তান পরবর্তীতে অল্পেই রেগে যাওয়া স্বভাবের হবে।

18. প্রতি বছর পৃথিবীতে মানুষের গড় আয়ু তিনমাস করে বাড়ছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতির কারণে ।

19. পৃথিবীতে বেশিরভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ O+ এবং সবচেয়ে কম মানুষের রক্তের গ্রুপ AB-

20. হিরোইন শুরুতে সর্দির ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হতো ।

21. 1800 খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত মানব সভ্যতা ক্যামেরায় যতো ছবি তুলেছে , আমরা এখন বিশ্বজুরে প্রতি দুই মিনিটে তারচেয়ে বেশি ছবি তুলছি।

22. পুরুষ এবং মহিলা উভয়েই সুন্দর দেহের চাইতে সুন্দর মুখের অধিকারীকে জীবন সঙ্গী হিসেবে বেশি পছন্দ করে।

23. আমাদের রোগপ্রতিরোধ সিস্টেম প্রতি দিন অন্তত একটি কোষ ধ্বংস করে আমাদের দেহের যা আমাদের ক্যানসার ঘটাবে।

24. ডাক্তারদের খারাপ হাতের লেখার কারণে পৃথিবীতে প্রতি বছর প্রায় সাত হাজার রুগির মৃত্যু হয়।

25. মোবাইল ফোন চার্জ করার সময় Airplane mode বা Flight mode সেটিং করে দিলে তিন গুন কম সময়ে চার্জ হবে।

26. যে বন্ধুত্ব সাত বছর পার করেও টিকে থাকে তা সারাজীবন টিকে থাকার সম্ভাবনা আছে ।

27. আয়নায় দেখার সময় আমরা নিজেকে প্রায় ছয়গুণ বেশি সুন্দর দেখি ।

28. মানুষ সত্যি কথা বলার সময় হাত নারিয়ে কথা বলে। মিথ্যা বলার সময় হাতগুলি লক্ষণীয়ভাবে স্থির থাকে ।

29. পরনিন্দা পরচর্চা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো । এইসময় দেহে প্রোজেষ্টেরন হরমণ ক্ষরণ হয় যা দুশ্চিন্তা কমায়।

30. কোনো নতুন অভ্যাস তৈরী হতে মানুষের সময় লাগে মাত্র একুশ দিন।

31. মেয়েরা অন্য মানুষের মুখ মনে রাখতে বেশি পারদর্শী বিশেষ করে অন্য মেয়েদের মুখ ।

32. আমরা প্রতি দিন সকালে বিকেলের চেয়ে প্রায় আট ইঞ্চি বেশি লম্বা থাকে ।
 
33. Google প্রতি সেকেন্ডে প্রায় 929 ডলার আয় করছে । ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় 55740 টাকা প্রতি সেকেন্ডেে।
 
 34. মঙ্গল গ্রহকে লাল দেখায় কারণ এর মাটি লোহার অক্সাইড (Fe2O3) দিয়ে তৈরি ।

35. হিটলার আজীবন নিরামিশিষি ছিলেন এবং তার একটি শুক্রাশয় ছিলো ।

36. পরপর মোট 480 টি কলা খেলে সে ব্যক্তি পটাশিয়ামের ওভার ডোজের কারণে মারা যাবে ।

37. যে ব্যক্তি সেপ্টেম্বর বা নভেম্ভর মাসে জন্ম গ্রহণ করে তারা দীর্ঘায়ু হয়।

38. ফোনে কথা বলার সময় মানুষ স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় তিনগুন জোরে কথা বলে।

39. স্টাচু অফ লিবার্টির জুতোর সাইজ 941. হাতের মধ্যমা আঙ্গলের দৈর্ঘ্য আট ফুট ।

40. প্রতি সেকেন্ডে আমাদের চোখ প্রায় 40 টি স্থির চিত্র মস্তিষ্কে প্রেরণ করে।

41. মহাকাশচারী হতে হলে আপনার উচ্চতা 5'2'' এর কম এবং 5'7'' এর বেশি হওয়া চলবে না।

42. মেরু প্রদেশে বস্তুর ওজন 3 শতাংশ কমে যায় ।

43. পৃথিবীতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একমাত্র কবি যিনি তিনটি দেশের জাাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা। বাংলাদেশ, ভারত এবং শ্রীলংকা।

44. একমাত্র ভারতবর্ষ একটি দেশ যার সংবিধানে গরুর জন্যও আইন আছে !

45. মহাকাশে কেউ স্বপ্ন দেখে না এবং কান্না করলে চোখের জল গরে পরে না। মাধ্যাকর্ষণ বলের অনুপস্থিতির কারণে ।

46. মানুষের মস্তিষ্ক পৃথিবীতে একমাত্র বস্তু যে নিজেই নিজের নামকরণ করেছে ।

47. মাছ এবং আঙ্গর ফল খেলে মেধা বা বুদ্ধাংক (I.Q) বৃদ্ধি পায়।

48. রাশিয়ার ক্ষেত্রফল প্লুটোর ক্ষেত্রফলের চেয়ে বেশী ।

49. একমাত্র চিনের প্রাচীর মানুষের হাতে তৈরী কির্তি যা চাঁদ থেকে খালি চোখে দেখা যায়।

50. পৃথিবীর প্রায় অর্ধেক মানুষের মস্তিষ্কে পরজীবি বাসা বেধে আছে ।

51. নতুন কলম হাতে নিলে বেশিরভাগ মানুষ তার নিজের নাম লিখে থাকে ।

52. শুধু মানুষ বানর এবং ডলফিন যৌনতাকে বংশধর তৈরি ছাড়াও আনন্দ উপভোগের জন্যও ব্যবহার করে থাকে ।

53. গর্ভবতী অবস্থায় মা যদি কোনো মারাত্মক রোগে ভোগে যেমন হার্ট অ্যাটাক, তখন গর্ভের শিশু মার সেই অঙ্গে স্টেম সেল পাঠিয়ে তা সারিয়ে তোলে ।

54. ভারতীয় মহাকাব্য মহাভারতের আয়তন গ্রীকের দুই মহাকাব্য ইলিয়াড এবং ওডেশির চেয়ে প্রায় সাতগুণ বেশী ।

55. প্রতি 14 দিন অন্তর পৃথিবীতে একটি করে ভাষার মৃত্যু ঘটছে ।

56. পৃথিবীতে সবচেয়ে জিরাফের রক্তচাপ বেশি ।

57. ম্যাডাম কুরি রেডিয়াম নামক তেজস্ক্রিয় পদার্থ আবিষ্কারের জন্য নোবেল পুরুষ্কার পেয়েছিলেন। তেজস্ক্রিয়তার কারণেই ক্যানসারে মারা যান। তার নোটবুক এখনও তেজস্ক্রিয় রশ্মি ছড়ায়।

58. ফর্মুলা ওয়ানের চালকেরা প্রায় পাঁচ গুণ বেশি মহাকর্ষ বল (5G) অনুভব করে তার ঘারে। তাদের ঘার ভেঙে যেত যদি না বিশেষ ভাবে তৈরি জ্যাকেট পরত।

59. আমাদের মুখ থেকে পাকস্থলিতে খাদ্যবস্তু পৌছাতে সময় লাগে প্রায় সাত সেকেন্ড ।

60. যৌনতার সময় মানুষের প্রায় প্রতি ঘন্টায় 360 কিলোক্যালরি শক্তি খরচ হয়।

61. পৃথিবীর সবচেয়ে বিলাসবহুল হোটেলের নাম Hotel President Wilson (জেনেভা)। এর একটি ঘরের ভারা একরাতে 83200 ডলার বা ভারতীয় মুদ্রায় 4992000 টাকা ।

62. প্রশান্ত মহাসাগরের আয়তন ঠিক চাঁদের আয়তনের সমান ।

63. হাইতি নামক দেশে পৃথিবীর মধ্যে এইড্স রোগীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি । প্রতি 50 জনে একজন ব্যক্তি এইডসের শিকার ।

64. একমাত্র আইসল্যান্ড একটি দেশ যে তার সংবিধান পুনঃ রচনার জন্য Facebook ব্যবহার করছে ।

65. একদা মিসিসিপি নদী ভুমিকম্পের ফলে বিপরীত দিকে প্রবাহিত হয়েছিল যা এখনও বিদ্যমান ।
 
66. স্ত্রী লোকের শরীরে যখন ডিম্বানু তৈরী হয় তখন তার অজান্তেই তার কন্ঠস্বর উচ্চ হয়।

67. পৃথিবীর সব পিপরের ওজন পৃথিবীর সব মানুষের ওজনের চেয়ে বেশি ।

68. আমাদের মস্তিষ্ক মাত্র 150 টি দৃঢ় সামাজিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সক্ষম ।

69. মিশরের পিরামিডের মধ্যে মমির পাশে রাখা তিন হাজার বছরের পুরনো মধু এখনও খাওয়ার যোগ্য আছে ।
 
70. নীল আর্মস্ট্রং চাঁদের মাটিতে প্রথম তার বাম পা ফেলেছিলেন।

71. ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা প্রায় দ্বিগুণ বার চোখের পাতা ফেলে।

72. হিরসিমায় পারমানবিক বিস্ফোরণের পরও এক ব্যক্তি বেঁচে ছিলেন যিনি 1951 সালে বস্টন অলেম্পিকের ম্যারাথন দৌড়ে অংশ গ্রহণ করেছিলেন এবং পুরুষ্কার জিতেছিলেন।

73. জাপানের স্বাক্ষরতার হার 100% এবং কিউবার 99.8%

74. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রায় 20 লক্ষ জার্মান মহিলা ধর্ষিতা হয়েছিলো যাদের বয়স ছিলো 13 থেকে 70 বছর । কুখ্যাত লাল বাহিনীর দ্বারা ।

75. পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ভ্রমণকারী যায় ফ্রান্সে। 2012 সালে ভ্রমণকারীর সংখ্যা ছিলো আট কোটি ত্রিশ লক্ষ ।

76. পৃথিবীর দ্রুততম মানুষ উসেইন বোল্ট যদি চাঁদে দৌড়ে যান তাহলে চাঁদে পৌছাতে তার সময় লাগবে এক বছর ।
 
77. একটি রুল পেন্সিল দিয়ে প্রায় 50 হাজার শব্দ লেখা যাবে অথবা প্রায় 35 মাইল দীর্ঘ রেখা আকা যাবে ।
 
 78. আইসল্যান্ড দেশটির কোনো সেনাবাহিনী নেই এবং একটি অন্যতম শান্তিপূর্ণ দেশ।

79. ফেসবুকের প্রোফাইলের ছবিতে যদি দুইজনের ছবি থাকে তাহলে সেটি অপেক্ষাকৃত অসুন্দর দেখতে ব্যক্তির প্রোফাইল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি ।

80. একটি অংক... 111,111,111 কে 111,111,111 দিয়ে গুণ করলে গুণফল হবে ... 12345678987654321
 
81. যে মেয়ের জীবনে পিতা অনুপস্থিত থাকে সে খুব তারাতারি শারীরিক পরিণতি পায়।
 
82. পটেটো চিপসের প্যাকেটে যে বাতাস ভর্তি থাকে তা আসলে নাইট্রোজেন গ্যাস । যা চিপ্ স কে শক্ত মুরমুরে রাখে এবং জাহাজে পরিবহনের সময় ভেঙে না যায়।

83. আবেগ জনিত ব্যাথা শশুধুমাত্র 12 মিনিট স্থায়ি হয়। এর বেশি সময় হলে সেটা আমাদের নিজের তৈরি ।

84. যে মেয়ে তার পিতাকে বিশ্বাস করে সে তার প্রেমিককেও খুব বিশ্বাস করবে ।

85. চিন দেশের জনসংখ্যা প্রায় 131 কোটি । এর মধ্যে প্রায় 50 কোটি অধিবাসী দাঁত মাজে না।

86. আমরা যখন একটা পদক্ষেপ নেই তখন প্রায় 200 টি পেশি ব্যবহার করে থাকি ।
 
87. প্রাচীন গ্রীসে একমাত্র যৌনকর্মিরা ঠোঁটে লাল লিপস্টিক ব্যবহার করত যৌন আবেদন বাড়ানোর জন্য ।

88. পৃথিবীতে মানুষ একমাত্র প্রাণী যে গাছ কেটে কাগজ তৈরি করে এবং সেই কাগজের উপর লেখে "গাছ লাগাও প্রাণ বাচাও"

89. যে ব্যক্তির শরীর থেকে সুগন্ধ বের হয় তার প্রতি আমরা আপনা আপনি আকৃষ্ট হই।

90. আমরা একসঙ্গে নাকের দুটো ছিদ্র দিয়ে শ্বাস নিই না। এক সময়ে একটি ই ব্যবহার করি। প্রতি দুই ঘন্টা অন্তর পরিবর্তন করি।

91. আমাদের চোখের কর্ণিয়া হলো একমাত্র অংশ যা সরাসরি বায়ু থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে সক্ষম ।

92. মহাকাশের গন্ধ গলিত লোহা থেকে বেরিয়ে আসা ধোঁয়ার মতো ।

93. রাশিয়ার মস্কো অভিযানের সময় হিটলারের গোপন পরিকল্পনা ছিলো সেখানকার অধিবাসীদের হত্যা করা এবং মস্কোকে একটা হ্রদ তৈরি করা।

94. মানুষ চার বছর বয়স থেকে মিথ্যা কথা বলতে শুরু করে।

95. চাঁদের মাটিতে এখনও পর্যন্ত কোনো মহিলা পদার্পন করেন নি।

96. পৃথিবীর সবচেয়ে শান্তি পূর্ণ দেশের নাম ডেনমার্ক। এবং সবচেয়ে অশান্তি পুর্ন দেশ ভেনেজুয়েলা।

97. পৃথিবীর অধিকাংশ বিলিওনেয়ার স্কুল শিক্ষিকাকে বিবাহ করেছেন ।

98.
কোকাকোলা এবং পেপসিতে গোপনে সামান্য অ্যালকোহল মিশানো হয় আসক্ত করার জন্য । এটি কোম্পানির টপ সিক্রেটের মধ্যে পরে।

99. পৃথিবীতে প্রায় 500 টি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি আছে।

100. সৌদি আরব এবং ভেনেজুয়েলাতে পানীয় জলের চেয়ে পেট্রোলের দাম কম ।
Read More »